বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
বাউফলে ১৫০টাকার দ্ব‌ন্দে অনার্স পরিক্ষার কেন্দ্র বা‌তিল বরিশাল জেলা মটরযান মেকানিক শ্রমিক ইউনিয়নের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর খলিসাখালীতে শিক্ষক বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিশুদ্ধ পানি ও খাবার স্যালাইন বিতরণ করলেন ছাত্রদল সিসি ক্যামেরায় নকলমুক্ত সুষ্ঠু পরিবেশে কলাপাড়ায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু বরিশাল টেলিভিশন চিত্র সাংবাদিকদের নতুন কমিটি ঘোষণা কলাপাড়ায় কেন্দ্র সচিব এবং কক্ষ প্রত্যবেক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা বরিশাল মহানগর শ্রমিকদলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত চেম্বার অব কমার্সের পক্ষ থেকে স্মারকলিপি পেশ স্কুলছাত্রীকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় কিশোরের ওপর দফায় দফায় হামলা, থানায় অভিযোগ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত আবারো মৃত ডলফিন পটুয়াখালীতে ইফতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকদের মানববন্ধন ও  স্মারকলিপি প্রদান জনগণ চাইলে নির্বাচনে অংশ নেব — সাংবাদিক হাফিজুল ইসলাম শান্ত উজিরপুরে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পিং-এর শুভ উদ্বোধন বরিশালে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে কুইজ, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা
কলাপাড়ায় মুক্তিযোদ্ধার কাগজপত্র জালিয়াতি করে ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ

কলাপাড়ায় মুক্তিযোদ্ধার কাগজপত্র জালিয়াতি করে ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ

Sharing is caring!

পটুয়াখালি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মুক্তিযোদ্ধার কাগজ পত্র জালিয়াতি করে ভুয়া নামে ভাতা উত্তোলন করে হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার বেলা ১১টায় কলাপাড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী লাইলির স্বামী শ্রমজীবী শহিদুল ইসলাম।

অভিযোগে বলেন তার বাবা হাফিজুর রহমান একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। কলাপাড়া উপজেলার টিয়াখালী গ্রামে তাদের বাড়ি। হাফিজুর রহমানের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের গেজেট নম্বর ৭২৭ ও সনদপত্র নম্বর ১৫০৮৬৪। গেজেট বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর ৭১৯০, তারিখ ৮-১১-২০০৪। জীবদ্দশায় ২০০৭ সাল থেকে তিনি নিয়মিত ভাতা তুলে আসছিলেন। ভাতার বই নম্বর ৩১/বি। ২০১১ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ভাতা তুলেছেন। একটি মামলায় হাজতে থাকাকালীন মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান ২০১২ সালের ৬ আগস্ট মারা যান, হাজতী নম্বর ৯১২/১২। এরপরেই শুরু হয় জালিয়াতি।

সংবাদ সম্মেলনে লাইলির লিখিত অভিযোগ, কলাপাড়া উপজেলা ও পটুয়াখালী জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের একটি চক্রের যোগসাজশে তার বাবার নামে নাম বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার চন্দ্রা গ্রামের মৃত আব্দুল করিম মাতুব্বরের ছেলে হাফিজুর রহমান মাতুব্বর ভুয়া কাগজপত্র বানায়। লাইলির বাবার গেজেট নম্বর এবং ভাতার বইয়ের সবকিছু ঠিকানাসহ অবিকল রেখে এখন পর্যন্ত কলাপাড়া থেকে মুক্তিযোদ্ধার সকল ভাতাদি উত্তোলন করে আসছেন। এমনকি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় তার সন্তানদের স্কুল ও পুলিশে চাকরি দিয়েছেন।

তিনি আরো জানান, তিনি বহুবার বিষয়টি নিয়ে আমতলীতে গিয়েছেন। কোন সমাধান তো দুরের কথা। উল্টো ধমক দিয়ে ফিরিয়ে দিয়েছেন। লাইলি তার বাবার নামের মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ফিরে পাওয়া এবং জালিয়াতির প্রতিকার চেয়ে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন। বহুবার কলাপাড়া মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলে যোগাযোগ করেছেন বলে জানান লাইলি। বর্তমানে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান লাইলি তার শ্রমজীবী স্বামীকে নিয়ে অর্ধাহার-অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন। তিনি প্রতিকার চেয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।

এ বিষয়ে হাফিজুর রহমানের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, মৃত হাফিজুর রহমান জীবিত থাকাকালে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তার নামের ভাতার বই খুলে ভাতা তুলেছেন। বিষয়টি তদন্তে ধরা পড়ায় ঠিক করে তার নামে (প্রকৃত হাফিজুর রহমান) বই খুলে ভাতাদি দেয়া শুরু করে। তিনি বরং ২০০৭ সাল থেকে ১২ সাল পর্যন্ত ভাতাদি থেকে বঞ্চিত রয়েছেন এমন পাল্টাঅভিযোগ তুলেছেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD